হি ‘ল্লা বি ‘য়েতে কি স ‘হ বা ‘স করতেই হবে, নাকি না করলেও হবে?

হি ‘ল্লা বিয়ে (যাকে অনেকেই “হালালা” বলেন) নিয়ে সমাজে নানা ভুল ধারণা আছে। বিষয়টা সংবেদনশীল, তাই পরিষ্কারভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি।

গভীর রাতে দেখুন এই সা’ হ ‘সী ওয়েব সিরিজ, পাবেন ভরপুর মজা

১) “হিল্লা” আসলে কী?
ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, যদি কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে তিন তালাক (তালাক-এ-সালাসা) দিয়ে ফেলেন, তাহলে তারা সরাসরি আবার বিয়ে করতে পারেন না। কোরআনে (সুরা আল-বাকারা ২:২৩0) বলা আছে—
স্ত্রী অন্য একজন পুরুষকে স্বাভাবিক ও বৈধভাবে বিয়ে করবে; সেই বিয়ে যদি কোনো কারণে স্বাভাবিকভাবে ভেঙে যায় (তালাক বা স্বামীর মৃত্যু), তখনই কেবল আগের স্বামীর সঙ্গে নতুন করে বিয়ে করা যাবে।

২) তাহলে সহবাস কি বাধ্যতামূলক?
কেবল নামমাত্র/চুক্তিভিত্তিক “হিল্লা” বিয়ে—যেখানে আগে থেকেই ঠিক করা থাকে যে শুধু আগের স্বামীর কাছে ফেরানোর জন্য বিয়ে করা হচ্ছে—এটি অধিকাংশ আলেমের মতে হারাম ও অবৈধ।
ফিকহের অনেক মত অনুযায়ী, “পূর্ণ ও বাস্তব” দাম্পত্য জীবন (যার মধ্যে সহবাস অন্তর্ভুক্ত) না হলে আগের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহ বৈধ হয় না।
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে এক রাতের জন্য বিয়ে করে সহবাস করিয়ে তালাক দেওয়া—এটিও নিন্দনীয় ও হারাম হিসেবে বিবেচিত।
অর্থাৎ, শরিয়তের দৃষ্টিতে শর্ত হলো—দ্বিতীয় বিয়ে হতে হবে সত্যিকারের, স্বাভাবিক ও আন্তরিক। আগে থেকে পরিকল্পিত “হিল্লা” আয়োজন করে সহবাস করানোকে ইসলাম সমর্থন করে না।

৩) গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
জোরপূর্বক বিয়ে বা সহবাস সম্পূর্ণভাবে অবৈধ ও অপরাধ।
এ ধরনের বিষয়ে স্থানীয় আইন, পারিবারিক নিরাপত্তা ও সম্মান—সবকিছু বিবেচনা করা জরুরি।
নির্ভরযোগ্য ও জ্ঞানী আলেম/আইনি পরামর্শকের সাথে পরামর্শ করা ভালো।